Skip to content Skip to footer

“বাংলাদেশ ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ কম্পিটিশন ১.০”

Bangladesh Youth Enterprise Competition 1.0 বাংলাদেশি তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর একটি উদ্যোগ। বাংলাদেশ ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ অ্যাডভাইস এ্যান্ড হেল্পসেন্টার (B’Yeah) আয়োজিত এ প্রতিযোগীতায় উদ্যোক্তারা কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবসায়িক আইডিয়া প্রদান করবে এবং তা বাস্তবায়ন করার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করবে।

BYEC 1.0 এর লক্ষ্য হলো তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং তাদের উদ্যোগের বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করা। একই সাথে উদ্যোগগুলোকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals) অর্জনের লক্ষ্যে কাজে লাগানো।

প্রতিযোগিতাটির প্রথম কয়েকটি ধাপ অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে যেখানে প্রতিযোগীরা ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহায়তায় দেশের যে কোনো জায়গা থেকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ফাইনাল রাউন্ড এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পুরষ্কারপ্রাপ্তরা সশরীরে উপস্থিত থাকবেন।


    words. Please limit to 300 words or less Without Space.

    • গ্লোবাল নেটওয়ার্ক “ইয়ুথ বিজনেস ইন্টারন্যাশনালের (YBI)” এর মাধ্যমে অন্যান্য হাজার হাজার সমমনা উদ্যোক্তাদের সাথে গ্লোবাল নেটওয়ার্কের একটি অংশ হতে পারবেন।
    • গ্লোবাল ইয়ুথ বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল (YBI) এর সদস্য বি’ইয়া-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সোশ্যাল মিডিয়াতে নিজেদের তুলে ধরার সুয়োগ পাবেন।
    • জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সফল উদ্যোক্তা এবং পেশাদার মেন্টরদের কাছ থেকে মূল্যবান পরামর্শমূলক সহায়তা পাবেন। 
    • আপনার পরিকল্পনাটি ইনকিউবেটর প্রোগ্রামে গৃহীত হলে পুরস্কারের অর্থ পাবেন।
    • আপনার পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত হলে প্রতিযোগিতার শেষে বিনিয়োগকারীদের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন।

    নিম্নলিখিত মানদণ্ড পূরণ করে বাংলাদেশের সকল স্তরের উদ্যোক্তারা এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করতে পারবেন:

    আমরা তাদেরই খুঁজছি, যাদের;

    • বিষয়বস্তু উদ্ভাবনী এবং উদ্দেশ্য ভিত্তিক সমাধানমূলক
    • ব্যবসায়িক আইডিয়া সামাজিক অর্ন্তভূক্তিমূলক এবং টেকসই 
    • পরিমাপযোগ্য, সম্প্রসারন এবং সমগ্র বাংলাদেশে প্রয়োগ করার সম্ভাবনা
    • বয়সসীমা: 35 বছরের মধ্যে

    উপরে উল্লেখিত মানদন্ড পূরণ করে বাংলাদেশের সকল উদ্যোক্তারা এই প্রতিযোগীতায় অশগ্রহণ করতে পারবেন।

    • আপনার দেয়া ব্যবসায়িক পরিকল্পনা কতোটা বাস্তবসম্মত। 
    • সমাধান কতটা ব্যবসাসফল হবে।
    • উদ্যোক্তা হিসেবে আপনার যোগ্যতা।
    • আপনি এই সমস্যা সমাধানে কতটা আন্তরিক। 
    • এই সমাধানের ফলে দেশ, জাতি এবং পৃথিবী কতোটা উপকৃত হবে। 
    • রেজিস্ট্রেশন শুরুঃ মার্চ ২১, ২০২২
    • রেজিস্ট্রেশনের শেষের সময়সীমাঃ এপ্রিল ১৬, ২০২২
    • প্রথম রাউন্ডের বাছাইপর্বের ঘোষণাঃ এপ্রিল ১৮, ২০২২
    •  বাছাইকৃত প্রতিযোগীদের নিয়ে বেসিক বিজনেস ট্রেইনিং
    •  আইডিয়াগুলোকে কীভাবে ব্যবসা হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে তা নিয়ে ট্রেইনিং
    •  দ্বিতীয় ধাপের রেজাল্টঃ  এপ্রিল ২৯, ২০২২
    • বাছাইকৃত প্রতিযোগীদের নিয়ে অ্যাডভান্সড বিজনেস ট্রেইনিং দেওয়া হবে যার মধ্যে থাকবে 
      • ডিজাইন থিংকিং
      • প্রোডাকটিভিটি বুস্ট
      • সেলস এন্ড মার্কেটিং
      • বেসিক একাউন্টিং
      • হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট 
    • উদ্যোক্তাদের হাতেকলমে ব্যবসা করতে হবে। প্রয়োজনে অফিস স্পেস এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামোভিত্তিক সহায়তা দেয়া হবে।
    • ব্যবসা প্রতিষ্ঠাকরণ সংক্রান্ত সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য আমাদের বি’ইয়া তালিকাভুক্ত মেন্টরদের সহযোগীতা যেকোনো সময় নেয়া যাবে।
    • জুন ২৮, ২০২২ পর্যন্ত দুই মাস ব্যাপী প্রতিযোগীরা ব্যবসা চালু এবং পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণ করবেন।

    উদ্যোক্তারা নিজেদের দুই মাসের ব্যবসার ফলাফল নিরপেক্ষ এবং স্বনামধন্য বিচারকদের সামনে উপস্থাপন করবেন। তাঁরা দুই মাসের ফলাফল এবং ভবিষ্যত সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে তিনটি গ্রুপকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন। 

    • ফাইনাল কনফারেন্স।
    • বাছাইকৃত প্রতিযোগীদের নিয়ে প্রোগ্রাম নলেজ শেয়ারিং।
    • এদিন বিজয়ী ৩ জন/গ্রুপের মধ্যে ১ম, ২য় এবং ৩য় পুরষ্কার বিজয়ীকে ঘোষণা করা হবে এবং পুরষ্কার বিতরণ করা হবে।
    • জমাকৃত আইডিয়ার বিষয়গুলো পরিষ্কার এবং সংক্ষিপ্ত রাখুন।
    • ভারী এবং দীর্ঘ লেখা এড়িয়ে চলুন।
    • আইডিয়াটি বাস্তবসম্মত রাখুন।
    Digital Marketing Partner
    Capacity Development Partner
    Digital Value Chain Partner
    Organizational Health Partner
    Knowledge Partner
    Global Network Partner
    Program Partner
    Financing Consultant Partner
    ACADEMIC PARTNER
    IN ASSOCIATION WITH
    INNOVATION LAB PARTNER

    বাংলাদেশ ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ অ্যাডভাইস অ্যান্ড হেল্প-সেন্টার (বি’ইয়া) একটি যুব উদ্যোক্তা-ভিত্তিক অলাভজনক এবং অরাজনৈতিক সংস্থা যা ব্যবসায়িক উদ্যোগ তৈরির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর করার ক্ষেত্রে বেকারত্ব হ্রাস করার লক্ষ্যে কাজ করে।  B’Yeah যুক্তরাজ্যের একটি অঙ্গসংগঠন “ইউথ বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল (YBI)” এর একটি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক সদস্য। ২০০৭ সালে বি’ইয়া তার যাত্রা শুরু করে এবং প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে তরুণদের (১৮-৩৫) ব্যবসা চালুকরণ, সম্প্রসারন এবং টেকসই করতে সহায়তা করে যাচ্ছে। বি’ইয়া এখন পর্যন্ত ১২+ কার্যকর অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে, ৬+ উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে এবং ১৫০০+ CMSME’র সাথে সহযোগিতা করেছে।

    বি’ইয়া এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন জনাব আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী ১৯৬৪ সালে ইতিহাসে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মর্ডান হিস্ট্রি বিষয়ে স্নাতক (প্রথম শ্রেণী) ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি ১৯৮০-৮১ সালে একজন ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে  University of Tennessee, Knoxville, USA তে পড়াশোনা করেন। সিভিল সার্ভিসে ৩৩ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনের পর তিনি বাংলাদেশ সরকারের সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। ২০০১ সালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সাত বছর ব্র্যাক-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    এছাড়াও তিনি বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে টাইগার ট্যুরস লিমিটেড, ফেডারেশন অফ এনজিওস ইন বাংলাদেশ (এফএনবি), এবং এসএমই (SME) ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।  জনাব আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী শুধু জনসাধারণের কল্যাণে ও উন্নয়ন খাতেই অবদান রাখেননি, একই সাথে তিনি Mobil যমুনা, এসিআই, ইন্স্যুরেন্সের মতো অনেক বিখ্যাত কোম্পানিতেও সমান অবদান রেখেছেন। পাবলিক-প্রাইভেট-ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে পাবলিক পলিসি প্রণয়ন এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর পঞ্চাশ বছরেরও বেশি বিস্তৃত অভিজ্ঞতা রয়েছে। অভিজ্ঞতার এই বিস্তৃত পরিসরে তাঁকে দেশব্যাপী এক অনন্য ব্যক্তি করে তুলেছে। 

    বি’ইয়া-এর বর্তমান চেয়ারপারসন, ব্যারিস্টার মঞ্জুর হাসান, একজন পাবলিক পলিসি রিফর্ম বিশেষজ্ঞ, যার প্রায় দুই দশকের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে শাসনব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ব্যারিস্টার মঞ্জুর হাসান একজন আইনজীবী এবং একই সাথে অর্থনীতিবিদ, যিনি The Honourable Society of Lincoln’s Inn and the London School of Economics & Political Science, London, England থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

    জনাব হাসান বর্তমানে সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৫ সালে বিআইজিডি (প্রাক্তনঃ ইনস্টিটিউট অফ গভর্নেন্স স্টাডিজ) প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং ২০০৬ সালে তিনি তৎকালীন আইজিএস-এর পরিচালক ছিলেন। এর আগে তিনি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও ব্র্যাক-এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বার্লিন, জার্মানির আঞ্চলিক পরিচালক (এশিয়া-প্যাসিফিক) এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন প্রচারের জন্য ২০০৩ সালে ব্রিটের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ মিঃ মঞ্জুর হাসানকে Officer of the Most Excellent Order of the British Empire (OBE) পুরষ্কার প্রদান করেন।