Skip to content Skip to footer

Entrepreneurs

Success Story

Israt Jahan Chowdhury

Bangladesh

IKEA Foundation and YBI “This is not just a business; this is a social responsibility.”

Fatema

Bangladesh

YBI wraps up first year of our Accelerating Youth-led Businesses in the Digital Era programme with IKEA Foundation

উম্মে শায়লা রুমকি

Bangladesh

একজন উম্মে শায়লা রুমকি’র পথ চলামধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা উম্মে শায়লা রুমকি (২৭) একজন পিজিওথেরাপিষ্ট, সফল উদ্যোক্তা ও লেখক। উত্তরা এবং মিরপুরে দুটি ফিজিওথেরাপি সেন্টার থেকে অসংখ্য মানুষ সেবা গ্রহণ করে উপকৃত হচ্ছে।

মাসুম তালুকদার

After passing diploma education he came to Dhaka in 2005 for employment

শান্তা ইসলাম সাথী

a simple desire made U-turn of Shathi’s life a year before.

দ চিং চিং

রং তুলিতে কোন প্রতিকী যখন সুন্দরভাবে পরিপূর্ণতা পায় তখনই তাকে শিল্প বলে। আর যার হাতের স্পর্শে এই কর্মটি সম্পাদন হয় তিনি হলেন শিল্পী। একজন শিল্পী চারিদিকের নানান রুপময় বৈচিত্র ও প্রকৃতি তার চিত্রে ফুটিয়ে তোলেন। তেমনি একজন শিল্পি উদ্যোক্তার নাম ড চিং চিং।
পড়ালেখা শেষ করে চাকরী করবেন এই স্বপ্নকে লালিত করে চৌত্রিশ বছর বয়সী ড চিং চিং পাহাড়ী উপত্যকা থেকে সমতলে নেমে এসেছিলেন, নানান স্থানে ঘুরে হতাশার ঘূর্ণিপাকে ক্লান্ত মন চাকুরির প্রত্যাশা ছেড়ে নতুন ভাবে বেঁেচ থাকার অবলম্বন খুঁজতে থাকেন।

ফরিদা

একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে পেরেই অঅমি উচ্ছসিত ও আনন্দিত। আমার পরিবারের কেউ ব্যবসার সাথে জড়িত না থাকলেও আমি লেখাপড়া শিখে একজন উদ্যোক্তা হতে পেরেছি বলে আমি গর্ব বোধ করি” কথাগুলো তরুণ উদ্যোক্তা ফরিদা বেগমের।
ফরিদা তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্পে বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মেয়ে। এই পরিবারে মেয়েরা লেখাপড়া শিখে চাকরি করে, কখনো ব্যবসায় জড়িত হয় না। আমি যখন গণিত বিষয়ে মাষ্টার্স শেষ পর্বে তখন লেখাপড়ার আর ক্লাস পর কিছুই করার থাকতো না।

ফাতেমা

বাংলাদেশের এসি মেরামতের কাজটি যেখানে সাধারণভাবে পুরুষদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, সেখানে ফাতেমা আক্তার সাথী একটি ব্যাতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ফাতেমা সাফল্যের সাথে একটি এসি সংযোজন এবং মেরামতের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।
ফাতেমা বলে, ‘পড়াশোনা চলাকালীন সময়ে আমি একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম, যেখানে আমার এমন কিছু লোকদের সাথে কাজ করতে হতো যাদের কাজ ছিল ঐ প্রতিষ্ঠানের এসিগুলো মেরামত করা। তাদের সাথে কাজ করতে করতে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই আমি কাজটি শিখতে শুরু করি। ঐ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা অবস্থায় আমি এসি মেরামত এবং মেরামতের খুটিনাটি বিষয় গুলো আয়ত্ব করি।

তুষার আব্দুল্লাহ

একজন ২৯ বছরের তরুণ, যে শুধু স্বপ্ন দেখে আর বসে থাকেনি। উদ্যোক্তার পথটা অমসৃন জেনেও যে হাসিমুখে সব বাধা বিপত্তি মাড়িয়ে চলেছে লক্ষ্যের দিকে দ্বিধাহীন। সেই সফল তরুণ উদ্যোক্তার কিছু কথা জানাই তার মুখ থেকেই।
“আমি আবদুল্লাহ তুষার। আমরা লক্ষ্মীপুর জেলার স্থানীয় বাসিন্দা, বর্তমানে মিরপুরে থাকি আর ব্যবসাও এখানেই। উচ্চশিক্ষার জন্য আমার ঢাকায় আসি ২০০৯ সালে। পকেট খরচের জন্য বাবা আমাকে টাকা পাঠাতেন। সেখান থেকে আমি টাকা সঞ্চয় করে নতুন নতুন পোশাক কিনতাম। এটা ছিল আমার নেশা।

নুপূর

প্রত্যেক মানুষই সৌন্দর্য পিপাসু, নিজেকে অন্যভাবে উপস্থাপন করতে চায় সবাই, পৃথিবীর সব স্থানে অনেক আগে থেকেই নারীরা তার সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের নারীরা। কিন্ত নিজেকে পরিপাটি করে সাজিয়ে তুলতে অন্যের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এই সাজসজ্জা হচ্ছে প্রত্যেক নারীর মনের প্রশান্তি। এই মনের মতো সাজকে ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন হয় একজন সাজনীর।
নূপুর ছোট বেলা থেকেই বোনদের সাজনীর বাক্স নিয়ে সাজতে ভাল বাসতো। নূপুর স্বাধীন ভাবে কিছু একটা করার স্বপ্ন দেখতো। সাজগোজের প্রতি যেহেতু তার প্রবল একটা জোঁক ছিল, তিনি বিউটি পার্লারের ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবতে ছিলেন। কিন্ত শুরু করবেন কি ভাবে?

হালিমা শিকদার

স্বপ্ন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, স্বপ্নের সিড়িঁ বেয়ে মানুষ তার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে বলে যার দৃঢ় ধারণা সেই প্রবল বিশ্বাসী মানুষটির নাম হালিমা সিকদার(**)। এক সময় তিনি ছিলেন সাধারণ নারীদের একজন। আজ তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা সফল ব্যবসায়ী।
পড়ালখা শেষ করে তিনিও ভেবে ছিলেন অন্যের মতো চাকরি করবেন। একটি প্রতিষ্ঠানে তিন বছর চাকরি করার পর মনে হল অন্যের অধীনে কাজ না করে নিজের মতো করে একটি স্বাধীন ব্যবসা করা যায় কিনা। নিজের পরিচিতি ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু করার দৃঢ় প্রত্যয়ে হালিমা সিকদার আত্ববিশ্বাসী হয়ে উঠেন। তিনি চিন্তা করলেন,সব মানুষই তার পোষাকের প্রতি সচেতন। বিশেষ করে নিত্য নতুন পোষাকের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশী থাকে।

সিরাজুম মনিরা

কিশোরগঞ্জের মেয়ে সিরাজুম মনিরা( **) একজন আত্মবিশ্বাসী ও সম্ভাবনাময়ী উদ্যোক্তা। অনলাইনে চিরুনী ডট কম হতে চুলের হারবাল তেল ও হোম মেইড কেক বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ২০১৯ সালের মাঝামাছি ফিণ্যান্সে মাষ্টার্স শেষ করে এখন সিরাজুম মুনিরা তার উদ্যোগকে সার্থক করার জন্য চেষ্টা করছেন। তার ধারণা সেই দিন খুব বেশি দুরে নয় যদেন সে চাকরিদাতায় পরিণত হবে।

মমিন দেওয়ান

উদ্যোক্তা হতে হলে বয়স যে কোন বাধা নয় তার উদাহরণ মমিন দেওয়ান। মাত্র ২৩ বছর বয়সে মমিন দেওয়ান প্রতিষ্ঠা করেছে স্যামু লেদার নামক চামড়াজাত পণ্য তৈরির প্রতিষ্ঠান।
মমিন দেওয়ান ২০১৪ সালে চাঁদপুর থেকে ঢাকায় এসে অনার্সে ভর্তি হয়্। বড় ভাইয়ের কাছে থাকায় লেখাপড়া আর হাত খরচের টাকার কোন চিন্তাই ছিল না তার। বরং হাত খরচের টাকা জমিয়ে লাখতে রাখতে এক সময় তার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার পেরিয়ে যায়।

উম্মে হাবিবা

কিছু দিন চাকরি করার পর নিজের মত করে কিছু করার প্রত্যয়ে মিরপুরে উম্মে হাবিবা (২৫) টেষ্টি টেবিল নামে ফাস্ট ফুড ব্যবসা শুরু করেছেন। টেষ্টি টেবিলের খাবারের স্বাদ মিরপুর ১২নং দুয়ারীপাড়ার বাসিন্দাদের খুবই পছন্দের।
লেখাপড়া শেষ করার আগেই বিয়ে। শ^শুড়-শাশুড়ির চাপেই চাকরিতে যোগ দেয়া। হাবিবা বলে, আমার শ^শুড়-শাশুড়ির কথা, শিক্ষিত মেয়ে ঘরে বসে থাকবে কেন। তোমার ইচ্ছে হলে কিছু একটা করো। াামার স্বামী একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে, আমারও ইচ্ছে ছিলো কিছু একটা করার।

তাহমিনা

মানুষ স্বপ্ন দেখে, স্বপ্নই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে বহুদূর যেতে সহায়তা করে । স্বপ্নের সিড়িঁ বেয়ে পরিকল্পনার সুতা বুননে তাহমিনা কবির ডলির পথ চলা। আর স্বপ্ন পূরণে বি’ইয়া সবচেয়ে বড় সারথী।
১৯৯৫ সাথে বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার জন্ম গ্রহণ করেছিলেন তাহমিনা কবির ডলি (২৪)। ডলির বাবা শৈশবে মারা যান, ফলে বিশাল পরিবারে নেমে আসে আভাব নামক দানব, জীবনের সাথে যুদ্ধ করতে হয় খুব ছোট বেলা থেকেই। তারা পড়ালেখার জন্য বড় বোনেরা সহযোগীতা করেছে। সেই দুর্বিঃসহ দিন গুলো স্মৃতির পাতায় আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে। অনেক প্রাপ্তিতে ডলি গ্রাজুয়েট শেষ করেন, কিন্তু মাষ্টার্স শেষ করার জন্য অর্থ সহযোগীতায় প্রয়োজন যার ব্যয় বহন করা পরিবারের জন্য খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এরপরও অনেকের সহযোগীতায় ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

মো: সজিব

কাগজ আর কাঠের দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরণের উপহার সামগ্রী তৈরি করে ইতিমধ্যে সুনাম অর্জন করেছে মো: সজিব( ২৮), এসবি গিফঠ শপের কর্ণধার। ঢাকার মোগাম্মদপুরে এসবি গিফট শপের ছোট্ট কারখানায় ৩ জন কর্মী সর্বদা ব্যস্ত থাকে বিভিন্ন গিফটের অর্ডার তৈরি ও সরবরাহ করার কাজে। প্রতিটি কাগজের ভাঁজে আর নকশায় সজিব ফুটিয়ে তোলে আনন্দের রং।

নিপা আক্তার

নিপা আক্তার (**) কখন ভাবতেই পারে নি তিনি একজন উদ্যোক্তা হবেন। বাংলাদেশের আর দশজন গৃহিনীর মত তিনিও বাসায় রান্নাবান্না সন্তানদের দেখাশোর পর টেলিভিশন দেখে, ঘুরে বেড়িয়ে সময় কাটাতেন। স্বামী, — সন্তানসহ ঢাকার মিরপুরে বসবাস। আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিলো, স্বামী মংমনসিংহের একটি নামকরা রেষ্টেুরেন্টের সেইফ হিসেবে কর্মরত। সেই সুবাদে নিপাও রান্না করতো মন দিয়ে এবং মাঝে মাঝে আতœীয় স্বজনদের ডেকে খাওয়াতো। খাবার খেয়ে সকলেই প্রশংসা করতো। আজ নিপা সেই শখই নিপার পেশায় পরিণত হয়েছে।

তাবাচ্ছুম জাহান

জীবন এবং জীবিকার সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হওয়া একজন উদ্যোক্তার নাম তাবাচ্ছুম জাহান। পুরান ঢাকার বকশীবাজারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা তাবাচ্ছুম একটি এনজিওতে হস্তশিল্প পণ্যের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতে করতে নিজেই উদ্যোক্তা হয়েছেন। আজ তিনি চাকরি ছেড়ে চাকরি দেয়ার অবস্থান তৈরি করেছেন। তার উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পটা একটু ভিন্ন।

মাসুদ রানা

বিভিন্ন কারখানা হবে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং বি’ইয়া থেকে প্রাপ্ত প্রশিক্ষণ পেয়ে মাসুদ রানা (৩২) এখন মিরপুর সমবায় মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় প্যাক্স লেদার নামে চামড়াজাত পণ্যের একটি শোরুম দিয়েছেন। প্যাক্স রেদারের প্রচার ও প্রসারে মাসুদ রানা এখন যথেষ্ট আতœবিশ^াসের সাথে এগিয়ে চলেছেন।

পারুল বেগম

পারুল বেগম ছিলেন একজন গামেন্টস কর্মী, তিনি এখন একটি কারখানা ও একটি দোকান পরিচালনার কর্ণধার। একই সাথে সন্তানদের সঠিক লেখাপড়ার দিকও খেয়াল রাখেন। পারুল বেগম বলে, দক্ষতা আর আতœবিশ^াস থাকলে যে কোন কাজে সফল হওয়া যায়।

তারমিহিম তানিয়া

এক সময় আমি ব্যাংকে চাকরি করতাম। পারিবারিক অনিচ্ছার কারণে আমার এই চাকরিটি ছেড়ে দিতে হয়েছে” বলেছিলেন তারমিহিম তানিয়া। এক কন্যা সন্তানের জননী ৩৪ বছর বয়সী তানিয়া তার একমাত্র মেয়েকে নিয়েই থাকেন, স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ হয়েছে। থেমে থাকেননি, বাধা পেরিয়ে নিজেই স্বাবলম্বী হয়েছেন।

আলাউদ্দীন সোহেল

চুপচাপ শান্ত স্বভাবে ছেলেটি যখন দশম শ্রেণিতে পড়ে তখনই সে তার মাকে হারায়। মায়ের ইচ্ছা ছিলো তার ছেলে বড় হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াবে, প্রতিষ্টিত হবে। মা আজ নেই কিন্তু মায়ের দোয়ায় সাফল্যের পথেই হাঁটছেন তার ছেলে আলাউদ্দীন সোহেল(২৬)।
যখন তিনি দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তখন তিনি তার মাকে হারিয়েছিলেন। যদিও দ্বিতীয় বিয়ে করার পরও ছেলের আদর যত্নের কোন কমতি ছিলো না, কিন্তু মা হারা সোহেলের কিশোর জীবন সুখকর ছিল না। তার মায়ের স্মৃতি তাকে তাড়িত করে।

অনামিকা

মশার কয়েল উৎপাদনকারী অনামিকা (২৩) ব্যবসা শুরু করেন ২০১৩ সালে। এখন অনামিকা একজন সফল উদ্যোক্তা। ২০১৭ সালের শুরুর দিকে তিনি বি’ইয়া পরিবারের সাথে যুক্ত হয়েছেন। বি’ইয়া থেকে তিনি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, এছাড়া বিভিন্ন মেন্টরদের নিকট থেকেও ব্যবসায়িক নানা ধরণের পরামর্শ পাচ্ছেন, ব্যবসায়িক ঋণ পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।

মনির হোসেন

সিনেমা দেখে নায়কের অনেক পেশার মধ্যে সাংবাদিক পেশাকে খুব ভাল লাগতো। সেই থেকে সাংবাদিক হওয়ার সুপ্ত একটা ইচ্ছা ভিতরে ছিল মো: মনি হোসেনের (**বয়স )।
পড়ালেখা শেষ করে চাকরীর জন্য না ছুটে ব্যবসা শুরু করি। ব্যবসাটাও তেমন ভাল লাগেনি। অনেক আগের সুপ্ত ইচ্ছাটাকে জাগ্রত করে একটি অনলাইন পত্রিকা চালু করি।

শান্তা ইসলাম সাথী

শুধুমাত্র একজন গৃহিনীর পরিচয়ে নিজেকে পরিচিত করার কোন বাসনা ছোট বেলা থেকেই ছিলো না। তাই আমি স্কুল সময় থেকেই কারাতে, ক্রিকেট খেলায় জড়িত ছিলাম। এরপর চাকরি ছেড়ে শুরু করেছি ব্যবসা। আমি একজন নারী উদ্যোক্তা এটিই আমার প্রথম পরিচয়’ কথাগুলো অপ্সরী বিউটি পার্লার-এর কর্ণধার শান্তা ইসলাম সাথী’র (২৭)।

সাবিহা ইসলাম বিথী

সাবিহা ইসলাম বিথী (**) একজন আত্মবিশ্বাসী তরুণ উদ্যোক্তা। কলেজ জীবন থেকে তিনি ব্যবসা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি সরকার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ঔঁঃব উরাবৎংরভরপধঃরড়হ চৎড়সড়ঃরড়হ ঈবহঃবৎ (ঔউচঈ/জেডিপিসি) থেকে পাটজাত হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে শুরু করেন ‘পূর্ণতা ক্রাফটস্’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। আর থেমে থাকেননি, চলেছেন রখ্ষ্য পূরণের পথে।

ওয়াসিফুর রহমান

ছোটবেলা কেউ যখন ভবিষ্যতে কী হবো জানতো তখন তোতাপাখির মত শেখানো বলতাম, ডাক্তার হবো। আজ আমি অনেক কম বয়সেই উদ্যোক্তা হয়েছি, আমি ভালো আছি। বিদেশের ডিগ্রী থাকা সত্বেও যারা আমাকে চাকরি দেয়নি মনে মনে আজ আমি তাদের প্রতিই কৃতজ্ঞ। ৯টা থেকে ৫টা চাকরি করার চেয়ে উধ্যোক্তা হয়েছে এটাই বড় পাওয়া, কথাগুলো ম্যাজিক লাইটের ম্যাজিক দেখানো তরুণ উদ্যোক্তা ওয়াসিফুর রহমানের ( ২৩)।
পুরান ঢাকায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা ওয়াসিফুর বাংলাদেশে ইংলিশ মিডিয়াম শেষ করেই উচ্চ শিক্ষারর জন্য —সালে গিয়েছিলেন বিদেশে টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়ার জন্য।

মাসুম তালুকদার

বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের জেলা * এ ১৯৮৫ হভপঠ মাসুম তালুকদারের জন্ম। অন্যদের মতই তিনি পড়ালেখা শেষ করে চাকরি করে জীবনটাকে চালাবেন এই স্বপ্নে বিভোর থাকতেন, ২০০৫ সালে ডিপ্লোমা পাশ করে চাকরি প্রাপ্তির আশায় তিনি ঢাকা শহরে চলে আসেন, কিন্ত চাকরির বাজার যে সোনার হরিণ, অনেক ঘুরাঘুরির পর বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে একটি চাকরিও পেয়ে যান, চাকরিতে কাজের এতো চাপ তার জানা ছিলনা। শেষ পর্যন্ত তাকে চাকরিটি ছাড়তেই হল।

দিনা লায়লা

একজন আত্মপ্রত্যয়ী উদ্যোক্তার নাম দিনা লায়লা। । দিনা লায়লার ভাষায়, ‘অনেক কষ্টে অর্জন করা সাহসটাকে আরো সুদৃঢ করতে চাই।’ এই সাহসটি হলো নারীর ক্ষমতায়ন, ইচ্ছার বাস্তব রুপায়ন, এ সাহসটা হলো তাঁর কষ্টের দিনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা। ঢাকা মিরপুর-১০ এর বাসিন্দা দিনা লায়লা আজ নিজের লালিত স্বপকে পূরণ করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছে।

মোঃ মাইনুদ্দিন

মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়া মো: মাইনুদ্দিন এখন লেদার টেন্ড নাম প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ মাইনুদ্দিন। তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চামড়াজাত পণ্য -এ স্নাতক শেষ করেছেন। শৈশব থেকেই তিনি চাকরি না করে নিজের ব্যবসা গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন। তাই, বাড্ডায় তাঁর বাসার নিকটে ৫০০ বর্গফুট জায়গা ভাড়া নিয়ে একটি ছোট কারখানা শুরু করেছিলেন ২০১৬ সালে।

সাইফুল ইসলাম

সদা হাস্যোজ্জল মো: সাইফুল ইসলামের দৃঢ় বিশ^াস এবার তিনি ব্যবসায় স্থির হতে পেরেছেন। “জীবনে আমি অনেক ব্যবসা করেছি কিন্তু কোনটাতেই স্থির হতে পারিনি। কিন্তু বি’ইয়া’র প্রশিক্ষণ আমাকে এই ৩৪ বছর বয়সে স্থির হতে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছে। আমি বুঝতে পেরেছি সুনির্র্দিষ্ট লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা ছাড়া কোন কিছুই অর্জন ঠিকঠাক হয় না। আমি আমার ব্যবসাকে নতুন করে এগিয়ে নিচ্ছি” কথাগুলো ভারটেক্স এর কর্ণধার মো: সাইফুর ইসলামের। যিনি এখন পাটজাত পণ্যের প্রচার ও প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করছেন, এগিয়ে চলেছেন সফলতার দিকে।

মোঃ গোলাম রসুল খান

বর্তমানে আমার পরিবারে আমার মা আছেন আমার বাবা ২০১৯ এর ডিসেম্বরে গত হয়েছেন । আমরা দুই ভাই তিন বোন । দুই বোনের বিয়ে হয়ে গিয়েছে । আমি ভাইদের মধ্যে বড় আমার একটা ছোট ভাই ও একটি ছোট বোন আছে।
ছোটবেলা থেকেই আমার ব্যবসার প্রতি একটা ঝোঁক ছিল। আমার বাবাও একজন বিজনেসম্যান ছিলেন। সেই সুবাদেই ব্যবসার প্রতি অন্যরকম একটা আকর্ষণ কাজ করতো। নিজে কিছু করার ইচ্ছা ছিল স্বাধীনভাবে চলার ইচ্ছা ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ব্যবসাতে পদার্পণ।

মাসুদ রানা

মা, ভাই-ভাবি, স্ত্রী ও সন্তান সহ ৬ সদস্যের পরিবার। ডিগ্রী পাশ করার পর লেখাপড়া আর করা হয়ে উঠেনি তার। পরিবারের স্বচ্ছলতার জন্য উর্পাজন করার দায়ীত্ব চলে আসে। ছোট বেলা থেকেই সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার দিকে ঝুঁক ছিল মাসুদের। চাকরি খুজতে খুজতে এক সময় ভাবলেন, নিজে কিছু করব। সেই ভাবনা থেকেই ২০১৬ সালে শুরু হয় উদ্যোক্তা জীবন। প্রথমে লেদার পণ্যের জুতা, সেন্ডল কিনে এনে বিভিন্ন এলাকায় ও দোকানে সরবরাহ শুরু করেন। কিন্তু এভাবে দোকানদার এবং ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করতে পারছিলাম না। সারা দিন কাঠ ফাটা রোদে ঘুরে অক্লান্ত পরিশ্রম করেও লাভ তেমন হত না।

মোঃ পারভেজ সজীব

মোহাম্মদ পারভেজ সজীব, ১৯৮৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার ছয়ানি টবগাঁ গ্রামে জন্ম হয়। বাবা ছিলেন একজন সরকারি চাকরিজীবী মা গৃহিনী দুই বোন এক ভাই এর মধ্যে পারভেজ সবার বড়। বাবার চাকুরির সুবাধে ঢাকার পুরাতন বিমানবন্দর সিভিল এভিয়েশন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন।

মো: সজল হোসেন ইমরান

৬ সদস্যের পরিবারে আমার এক ভাই, এক বোন, বাবা-মা এবং আমার স্ত্রী। পরিবারে বড় সন্তান আমি। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে ইংরেজিতে স্নাতক শেষ করি। ছোট ভাই-বোন লেখাপড়া করছে। বাবা ব্যবসা করেন।
আমার বিজনেসে আসার পিছনে মূল কারণ হচ্ছে আমি কখনোই চাইতাম না অন্য কারো অধীনে কাজ করতে বরং চাইতাম নিজেই নিজের কর্ম-সংস্থান গড়তে। ছোটবেলা থেকেই বাবার ব্যবসায় যাওয়া আসা হত এবং মাঝে মাঝে বসাতাম। আর সব সময় পরিবার আমার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। যেহুতু চাকরি করব না, ব্যবসা করার মনস্থির করেই শুরু করি।

সালমান ইসলাম রনি

বাবা-মা, ১ বড় ভাই ও ১ ছোট বোন নিয়ে ৫ সদস্যের ছোট পরিবার আমাদের। বাবা দেশের বাহিরে ছিলেন বহু বছর, বড় ভাই এখন দেশের বাহিরে চাকরি করছেন। ছোট বোন এর বিয়ে হয়েছে। ফিজিক্স এর উপর কবি নজরুল সরকারী কলেজ থেকে অর্নাস করেছি।
ছোটবেলা থেকেই চাকরি করার প্রতি অনিহা ছিল। ইচ্ছে ছিল নিজে কিছু করার, এই আগ্রাহ থেকেই কলেজে পড়া অবস্থায় ২০১৫ সালে কোচিং সেন্টার খুলেছিলাম। ২০১৬ সালে পার্টনারে কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার চালু করি। মাথায় ছিলো পড়াশোনা চলাকালীন সময়েই ব্যাবসা রেডি করে রাখা, যাতে বাসা থেকে চাকরির জন্য প্রেশার না দিতে পারে। ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে ক্লাউড-১১ রেষ্টুরেন্ট যাত্রা শুরু করে।

মোঃ সজীব

৬ সদস্যের পরিবারে আমার বাবা-মা, ছোট বোন, এবং আমার স্ত্রী ও কন্যা সন্তান। পরিবারের বড় সন্তান আমি। বোনের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। গাজীপুরের কাপাসীয়া গ্রামে বাবা রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। অর্থের টানা পুরণে বাবা-মা জীবিকার তাগিদে ঢাকা চলে আসেন আমাদের গ্রামের বাড়িতে রেখে আসেন। ঢাকায় বাবা প্লাষ্টিক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসা শুরু করলেন এবং মা এনজিওতে চাকরি করেন। গ্রামের কলেজ থেকে ২০০৬ সালে ব্যবসা শিক্ষায় এইচ এস সি পাশ করি। বিদেশে যাবার চেষ্টা করি অনেক দিন কিন্তু অর্থের অভাবে আর যাওয়া হয়নি।

জেসিমন আহমদ

পরিবার সদস্য সংখা ৪ জন। স্বামী ও দইু ছেলে। বড় ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩য় বর্ষে অধ্যয়নরত আছে। ছোট ছেলের ৪ বছর। স্বামী ইন্টোরিউর এবং কাঠের ব্যবসা করতেন। ২০১৯ সালে ব্রেন স্টোক করে এখন শয্যাসায়ী। স্টোক করার পর আস্তে আস্তে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। স্বামীর চিকিৎসার জন্য অনেক খরচ হয়ে যায়।
সংসারের টানা পুরন শুরু হয়, স্বামীর চিকিৎসা খরচ, বড় ছেলের লেখা পড়ার খরচ চালাতে হবে। কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। এক সময় মনোস্থির করি নিজেই কিছু করতে হবে। বড় ছেলের সাথে শেয়ার করি বিষয়টি। ছেলে উৎসাহ দিয়েছে, জেসমিন মায়ের কাছ থেকে হাতের কাজ শিখেছিলেন। ভাবলেন এই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করতে হবে। বড় ছেলের জমানো ৫০০০ টাকা দিয়েই উদ্যোক্তা জীবন শুরু।

মাহমুদা আক্তার

আমি মাহমুদা আক্তার, একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা- কাজ করছি মেয়েদের পোশাক নিয়ে বিগত দুই বছর ধরে । বাবা, মা, এক বোন, এক ভাই নিয়ে আমাদের পরিবার। আমি ইডেন মহিলা কলেজ থেকে অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেছি ম্যানেজমেন্টের উপরে। পড়ালেখা শেষ করার পরে চাকুরি খোজা শুরু করি, কিন্তু করোনা পরিস্থিতি চলে আসার কারণে চাকুরিও পাচ্ছিলাম না। তখন আমি তৈরী পোশাক কিনে এনে ফেসবুকে স্টাইলিন নামে পেজ খুলে বিক্রি করার চেষ্টা করি।

মারিয়া আক্তার

আমি মারিয়া আক্তার, ব্যবসা শুরু করি ইংরেজি ০১/০৯/১৯ তারিখে। আমার ব্যবসার নাম মারিয়া ফুড ক্যাফে। প্রথম দিকে ভালই চলছিল কিন্তু করোনায় সময় বিক্রি এতটা কমে যায় যে অনিচ্ছা স্বত্তেও দোকনটি বন্ধ করতে হলো। বেশ চিন্তিত হয়ে যাই, কোন উপায় না দেখে কয়েক মাস বসিয়ে ব্যবসা বন্ধ রেখে অন্যের কাছে দোকান ভাড়া দেই। নিজের চোখের সামনে নিজের স্বপ্নকে শেষ হতে দেখতে পারছিলাম না।

পিয়ার ইসলাম (জীবন)

আমি পিয়ার ইসলাম (জীবন) পিতা-মাতার একমাত্র পুত্র সন্তান এবং খুব আদরে মাঝে ছোট থেকে বেড়ে উঠেছি মুন্সিগঞ্জ জেলায়। মাস্টার্স শেষ করার পর বেকার জীবনে মেনে নিতে পারছিলাম না। তাই একরকম শখের বসে কোয়েল পাখি নিয়ে ছোট একটা খামার গড়ে তুলি। খুব দ্রুত এই শখের বিষয় আমার আয়ের উৎস হয়ে উঠে। আমার ছোট খামার ব্যবসায় রুপ পায় বি’ইয়ার সাথে পরিচয়ের পর থেকে।

সানজিদা আক্তার ঈশা

সেই ছোট্ট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম, বড় হবো। কিন্তুু সপ্ন পূরনে প্রয়োজন অনেক কিছু যা আমার ছিলো না। ছিলো শুধু একটা স্মাট ফোন সেটাকেই কাজে লাগিয়ে শুরু করি সপ্নের পথ চলা। ২০১৯ এ শুরু আমার আমার সপ্ন Esha’s fashion এর পথ চলা। শুধু মাএ একটা ওনলাইন পেজ থেকে কাজ শুরু করি আমি। তখন ছিলো না কোন সপ বা কারখানা। নিজেই অর্ডার নিতাম নিজেই বানাতাম আবার নিজেই ডেলিভারি দিতাম। প্রথমে একটা মেশিন দিয়ে কাজ শুরু করি তার পর আস্তে আস্তে একটা ছোট কারখানায় রুপান্ত করি যা এখন অনেক গুলো সংস্বারের খরজ বহনের সক্ষমতা রাখে। যতটা সহজে বলেফেলাম পথটা ততটা সহজ ছিলো না। বার বার হোচট খেয়েছি, বার বার উঠে দাড়িয়েছি।

রেবেকা সুলতানা

আমি মুন্সিগঞ্জের মেয়ে রেবেকা সুলতানা। বর্তমানে ব্যক্তিগত জীবনে আমি এক কন্য এবং পুত্র সন্তানের জননী। বিয়ের পর আমি মাস্টার্স শেষ করি। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজ যেমন কুশি-কাটা সহ পোশাকের ডিজাইনিং এ দক্ষতা অর্জন করি। ছেলে-মেয়েদের দেখাশুনা এবং সংসারের কাজের পাশাপাশি আমার স্বামী আমাকে ব্যবসা করার অনুপ্রেরনা দেয়। তার অসুপ্রেরণা এবং ৫০,০০০/- টাকার সহযোগিতায় ব্যবসা শুরু করলাম। আমার আগ্রহ ও উদ্যোগ দেখে আমার পরিবার একটা পারিবারিক দোকানের ব্যবস্থা করে দেয়। দোকান শুরু করার কিছুদিন পরে লক্ষ্য করলাম আমার পন্যগুলো আশে-পাশের মানুষ বাদে কেউ কিনছে না বা বিক্রি হচ্ছে না। সেই সময় পরিচয় হলো বি’ইয়ার সাথে।

শারমিন আক্তার মৌসুমী

শুরুটা হয়েছে ২০১৯ সালের শেষের দিকে, একধম হঠাৎ করেই ঘুনাক্ষরেই জানতাম না যে আমি উদ্যােক্তা হবো। ইচ্ছা ছিল কিছু একটা করবো অন্তত বেকার থাকবো না নিজের একটা পরিচয় তৈরি করবো হয় তো সেটা হতে পারে কোন একটা ভালো চাকরি। যাই হোক গ্রাজুয়েট করার আগেই অভিজ্ঞতার জন্য কিছু একটা করার উদ্যামে নেমে পড়লাম , যেই কথা সেই কাজ বিভিন্ন ট্রেনিং নিলাম এবং তখনিই মাথায় আসলো ব্লকবাটিক,হেন্ডপিন্ট , হাতের কাজ ইত্যাদি তো আমরা পারি তাহলে তো আমরা বিক্রি করতে পারি, কথাগুলা সিয়ার করছিলাম বান্ধুবীকে। আমার কথা শুনে আমরা ৭ জন মিলে ৭ হাজার টাকা নিয়ে নেমে পড়লাম বিজনেসে। তখনিই বুঝতে পারলাম আরে বিজনেস বা উদ্যােক্তা হতে হলে তো অনেক ধরনের স্কিল জানতে হয় কারন তখনও আমরা প্রোডাক্ট গুলা বিক্রি করতে পাচ্ছিলাম না।

Sadia Islam Mow

ছোটোবেলা থেকেই মনের মধ্যে একটি কথা ভাবতাম যদি কখনো কিছু করার সুযোগ হয় তাহলে ভালো একটা চাকরি করবো!!! সব সময় মনের ভিতর এই ইচ্ছে পোষণ করতাম, আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলাম আর চিন্তা ভাবনা যেনো বাড়তে লাগলো, হঠাৎ একটা দুর্ঘটনার শিকার হলাম, যার দরুন প্রভাব আমার মনের ভিতর জমানো স্বপ্নের ওপর পড়লো। তখন নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছিল সেই পরিস্থিতি থেকে আমার মনের মধ্যে পুষে রাখা সেই স্বপ্ন কে এক কথায় বদল করে দিলাম ভাবতে থাকলাম আমি চাকরি নয় এইবার অন্য কিছু করবো, যাতে আমার মতো যতো নারী আছে সমাজে তাদের নিয়ে কাজ করব, নিজে ও প্রতিষ্ঠিত হব অন্য কে ও প্রতিষ্ঠিত করব, স্বাবলম্বী করে তুলব।

Product of Our Entrepreneur

Home made Ornament

Entrepreneur:

Main Uddin

Contact:

+880-1787634784

Home Decoration

Entrepreneur:

Main Uddin

Contact:

+880-1787634784

Home made food catering

Entrepreneur:

Main Uddin

Contact:

+880-1787634784

Leather Goods

Entrepreneur:

Main Uddin

Contact:

+880-1787634784

Youth Entrepreneurs Platform

Sayla Rumki

0124124124
Fashion
Irin Akter

Irin Akter

Real Fasion
01754986980
Fashion
Ohab Khan

Ohab Khan

City Engineering
01753091683
AC & Refrigeration