Skip to content Skip to footer

মাসুদ রানা

পরিবারের একমাত্র উর্পাযনক্ষম মাসুদ

মা, ভাই-ভাবি, স্ত্রী ও সন্তান সহ ৬ সদস্যের পরিবার। ডিগ্রী পাশ করার পর লেখাপড়া আর করা হয়ে উঠেনি তার। পরিবারের স্বচ্ছলতার জন্য উর্পাজন করার দায়ীত্ব চলে আসে। ছোট বেলা থেকেই সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার দিকে ঝুঁক ছিল মাসুদের। চাকরি খুজতে খুজতে এক সময় ভাবলেন, নিজে কিছু করব। সেই ভাবনা থেকেই ২০১৬ সালে শুরু হয় উদ্যোক্তা জীবন। প্রথমে লেদার পণ্যের জুতা, সেন্ডল কিনে এনে বিভিন্ন এলাকায় ও দোকানে সরবরাহ শুরু করেন। কিন্তু এভাবে দোকানদার এবং ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করতে পারছিলাম না। সারা দিন কাঠ ফাটা রোদে ঘুরে অক্লান্ত পরিশ্রম করেও লাভ তেমন হত না।
বুঝতে পারছিলেন না, কি করবে, ব্যবসা কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে, পর্রামশ দেবার কেউ নেই, কোথায় গেলে ব্যবসা পরিচালনার দিক-নির্দেশনা পাবে। ব্যবসার সম্প্রসারণ, কর্মীদের বেতন, পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। হতাশা তাকেঁ গ্রাস করতে পারেনি, শত বাঁধার মাঝেও হাল ছাড়েনি।
২০১৭ সালে ফেইসবুকে একটি পোষ্ট তার নজর এরাতে পারেনি, ‘‘তরুণ উদ্যোক্তা উন্নয়নে’’ যুক্ত হবার আহবান দেখেই যোগাযোগ করেন বি’ইয়া’র সাথে। বি’ইয়া থেকে ব্যবসা উন্নয়ন প্রশিক্ষন গুলো শেষ করেছেন। প্রথমে তিনি অফলাইনে ব্যবসা করতেন, সে কারণে মার্কেট ছোট ছিল। বি’ইয়া’র আয়োজনে YBI ও IKEA Foundation প্রজেক্ট এর মাধ্যমে ব্যবসা উন্নয়ন অনলাইন ওয়েবিনার, মেন্টরিং প্রোগাম ও Ecommerce & Digital marketing skills এবং Decent work training এ অংশগ্রহন করেছিলেন।
Ecommerce & Digital marketing skills ট্রেনিং পেয়ে মাসুদ চোখ খুলে যায়, অনলাইন এর মাধ্যমে অতি সহজে সমগ্র বাংলাদেশে পণ্য বিক্রয় করা যায়। আরো শিখেছেন কিভাবে ছবি, ভিডিও , কনন্টে পোষ্ট করতে হয়, কখন করতে হয়, কখন করলে বেশি রিচ হবে। কন্যাভার মাধ্যমে ভিডিও এডিটিং করা। এই দক্ষতা গুলো তিনি তার ব্যবসাইক পেইজে ব্যবহার করেন। এর ফলশ্রুতিতে ব্যবসার সম্পসারন ঘটে এবং কোভিট পরিস্থিতিতেও তেমন বেগ পেতে হয়নি। আরো ১টি শো রুম নিয়ে ব্যবসা সম্পসারন করেছেন। আগমী ৩ বছরে মধ্যে আর্ন্তজাতিক বাজারে প্রবেশ করতে চান। প্যাক্স লেদারকে ব্যান্ড হিসাবে পরিচিতি লাভ করাতে চান।

Leave a comment