Skip to content Skip to footer

মো: সজল হোসেন ইমরান

মো: সজল হোসেন ইমরান

৬ সদস্যের পরিবারে আমার এক ভাই, এক বোন, বাবা-মা এবং আমার স্ত্রী। পরিবারে বড় সন্তান আমি। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে ইংরেজিতে স্নাতক শেষ করি। ছোট ভাই-বোন লেখাপড়া করছে। বাবা ব্যবসা করেন।
আমার বিজনেসে আসার পিছনে মূল কারণ হচ্ছে আমি কখনোই চাইতাম না অন্য কারো অধীনে কাজ করতে বরং চাইতাম নিজেই নিজের কর্ম-সংস্থান গড়তে। ছোটবেলা থেকেই বাবার ব্যবসায় যাওয়া আসা হত এবং মাঝে মাঝে বসাতাম। আর সব সময় পরিবার আমার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। যেহুতু চাকরি করব না, ব্যবসা করার মনস্থির করেই শুরু করি।
লেডিস ড্রেস কিনে এনে বিক্রয় করি। মুলত শো-রুম এর মাধ্যমে অনলাইন ভিত্তিক ও ট্রেডিং ব্যবসা ২০২০ সালে “Dress Code Brand” নামে যাত্রা শুরু করি। পূর্নকালীন ৩ জন কর্মী আছেন। কিন্তু এর মধ্যে আমার পরিবারের ২ জন মাসিক বেতন ভিত্তিতে সহযোগীতা করছেন। বর্তমানে বাসা থেকেই ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
বিগত দুই বছর করোনার কারণে আমার ব্যবসায়ের যথেষ্ট পরিমান ক্ষতি হয়। শুরুতেও শো-রুম নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও করোনা কালীন সময়ে বন্ধ করে দিতে হয়। শো-রুম নেয়ার পর পরই ১৪ মাস এলাকার রাস্তা উন্নয়নে কাজ চলেছে এবং ক্রেতা সমাগম কমে যায়। কিন্তু হতাশ না হয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছি বাসা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে। কিভাবে মার্কেটিং করব, নেটওর্য়াক বৃদ্ধি করতে পারছিলাম না। ব্যবসা করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি তা হচ্ছে ক্রেতাদের আস্থার অভাব এবং তাদের কাছ থেকে যথাসময়ে পেমেন্টটা না পাওয়া।
ব্যবসার শুরু থেকেই বি’ইয়ার সাথে পরিচয় হয়। ২০২০ সালে বি’ইয়া থেকে ব্যবসায়ীক প্রশিক্ষণ পাবার পর আমার আত্মবিশ্বাস বহু গুণে বেড়ে যায় ব্যবসায় ভাল সারা পেয়েছি। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করার একটা গঠনমূলক প্রশিক্ষণ ও অফলাইন থেকে অনলাইনে ব্যবসা ডেভলাপ প্রশিক্ষন পেয়েছি। ফেইজবুক পেইজ ওপেন করে ব্যবসা পরিচালনা ও মার্কেটিং এবং কর্মীদের জন্য কাজের পরিবেশ এর ধাপ গুলো আমার সমস্যা সমাধনে সহযোগীতা করছে বি’ইয়া আয়োজিত প্রশিক্ষণ গুলো।
প্রশিক্ষণ শেষে বি’ইয়া ব্যবসা ডেভলাপ করার জন্য মেন্টর (পর্রামশদাতা) এর সাথে গ্রুপে যুক্ত করেছেন। মাসে দুইবার মেন্টর এর সাথে অনলাইনে মিটিং হয়েছে। মেন্টর আমাকে পর্রামশ দিয়েছেন, শো-রুম যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন তিনি অনলাইনে ব্যবসা পরিচালনা করতে বলেছেন। তিনি আমাকে ব্যবসার ডিজিটাল প্রশিক্ষণ গুলো করাতে বলেছেন। তাছাড়া যখনই কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি বি’ইয়া প্রদত্ত মেন্টরের পরামর্শ নিয়ে সেটার সমাধান করেছি। তাই এককথায় বলতে আমার বিজনেস শুরু থেকে বর্তমান সফলতার পিছনে বি’ইয়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। এবং আমি বি’ইয়ার প্রতি চির কৃতজ্ঞ।
আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হচ্ছে আমার নিজস্ব সুপ্রতিষ্ঠিত একটি গার্মেন্টস কোম্পানি হবে ইন-শা-আল্লাহ। এবং সেই সময়তেও বি’ইয়া আমার পাশে থেকে সর্বাত্মক ভাবে সহযোগিতা করবে সেটাই কামনা করছি।

Leave a comment