Skip to content Skip to footer

শারমিন আক্তার মৌসুমী

শারমিন আক্তার মৌসুমী
শারমিন আক্তার মৌসুমী

শুরুটা হয়েছে ২০১৯ সালের শেষের দিকে, একধম হঠাৎ করেই ঘুনাক্ষরেই জানতাম না যে আমি উদ্যােক্তা হবো। ইচ্ছা ছিল কিছু একটা করবো অন্তত বেকার থাকবো না নিজের একটা পরিচয় তৈরি করবো হয় তো সেটা হতে পারে কোন একটা ভালো চাকরি। যাই হোক গ্রাজুয়েট করার আগেই অভিজ্ঞতার জন্য কিছু একটা করার উদ্যামে নেমে পড়লাম , যেই কথা সেই কাজ বিভিন্ন ট্রেনিং নিলাম এবং তখনিই মাথায় আসলো ব্লকবাটিক,হেন্ডপিন্ট , হাতের কাজ ইত্যাদি তো আমরা পারি তাহলে তো আমরা বিক্রি করতে পারি, কথাগুলা সিয়ার করছিলাম বান্ধুবীকে। আমার কথা শুনে আমরা ৭ জন মিলে ৭ হাজার টাকা নিয়ে নেমে পড়লাম বিজনেসে। তখনিই বুঝতে পারলাম আরে বিজনেস বা উদ্যােক্তা হতে হলে তো অনেক ধরনের স্কিল জানতে হয় কারন তখনও আমরা প্রোডাক্ট গুলা বিক্রি করতে পাচ্ছিলাম না। কিভাবে ক্রেতাকে কনভেস করবো, আমার পন্য সম্পর্কে দুই লাইন কথা বলবো, কিভাবে মার্কেটিং করবো ইত্যাদি অনেক কিছুর প্রয়োজন অনুভব করলাম । তখনিই আমার এক মেডাম এর কাছে বি’ ইয়ার কথা শুনলাম এবং রেজিষ্ট্রেশন করে ফেললাম। তখন কেবল বি’ ইয়ার সাথে যাত্রা শুরু হলো আর সেই সময়ই করোনার মহামারি শুরু হলো বাংলাদেশে। মুখ থুবড়ে পড়লো আমাদের বিজনেস , হতাশ হয়ে বাসায় অবস্থান করলাম। এদিক দিয়ে আমাদের ব্লকপ্রিন্ট এর ক্যামিকেল নষ্ট হয়ে গেলো। লস গুনতে হলো সবাইকে এবং বিজনেসটা বন্ধ হয়ে গেলো। এদিক দিয়ে করোনাকালিন সময় বি’ ইয়ার কার্যক্রম অনলাইনে জুমের মাধ্যম চলছিল।আমি সেখানে অংশগ্রহণও করলাম। মনে আশা ফিরে আসলো, হতাশ দূর হচ্ছিল। আবার নতুন উদ্যামে নিজের ইচ্ছা শক্তি দিয়ে একাই শুরু করলাম আমার পথযাত্রায় । এই নতুন পথের সন্ধানটা যেন বি’ ইয়ার কাছেই পেলাম তাই বি’ ইয়াকে ধন্যবাদ দিয়ে ও শেষ হবে না। ওহ হ্যাঁ এই নতুন যাত্রাটা হলো অনলাইনে – রং তুলি বস্ত্র নামের পেজ খুলে। এখন অব্দি আমার ৮০% প্রোডাক্ট অনলাইনে সেল করি । যেখানে শুরু করেছিলাম ১০০০ টাকা দিয়ে সেখানে আমার প্রায় তৈরিকৃত প্রোডাক্ট + কাঁচামাল ২০,০০০ হাজার টাকার বর্তমান আছে।
২ জন অস্থায়ী কর্মী আছে। সব মিলিয়ে এখনও আমি আমার যাত্রাপথে হাটছি।স্বপ্ন দেখেছি এবং তা বাস্তবায়ন করতে হাটতে হবে বহুপথ।

Leave a comment