Skip to content Skip to footer

সানজিদা আক্তার ঈশা

স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না। ‘

স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না। ‘
সেই ছোট্ট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম, বড় হবো। কিন্তুু সপ্ন পূরনে প্রয়োজন অনেক কিছু যা আমার ছিলো না। ছিলো শুধু একটা স্মাট ফোন সেটাকেই কাজে লাগিয়ে শুরু করি সপ্নের পথ চলা। ২০১৯ এ শুরু আমার আমার সপ্ন Esha’s fashion এর পথ চলা। শুধু মাএ একটা ওনলাইন পেজ থেকে কাজ শুরু করি আমি। তখন ছিলো না কোন সপ বা কারখানা। নিজেই অর্ডার নিতাম নিজেই বানাতাম আবার নিজেই ডেলিভারি দিতাম। প্রথমে একটা মেশিন দিয়ে কাজ শুরু করি তার পর আস্তে আস্তে একটা ছোট কারখানায় রুপান্ত করি যা এখন অনেক গুলো সংস্বারের খরজ বহনের সক্ষমতা রাখে। যতটা সহজে বলেফেলাম পথটা ততটা সহজ ছিলো না। বার বার হোচট খেয়েছি, বার বার উঠে দাড়িয়েছি। এই পথ চলায় এক মাএ সঙ্গি ছিলো আমার মা। সব সময় আমাকে সাপোর্ট করেছে। আমার মায়ের জন্যই আমি আজকে আমার জায়গায়। ২০১৮ সাল এ HSC শেষ করে পরাশুনা ইতি টানতে হলো ফিনেলশিয়াল কিছু কারনে তারপর থেকেই শুরু হলো সপ্নের সাথে সাথে ইনকাম এর চিন্তা। তখন থেকে মনে হলো সপ্ন পূরনে পরিশ্রম ই আমার একমাএ সম্পদ কারন পুঁজি ত আমার নেই তাই পরিশ্রম কেই পুঁজি বানিয়ে সপ্ন পূরন করতে হবে। তারপর ২০১৯ এ Esha’s Fashion এর যাএা শুরু করি ওনলাইন থেকে। তখন সব থেকে বেশি চ্যেলেন্জ ছিলো কাস্টমারের বিশ্বাস অর্জন করা। আস্তে আস্তে আমার একটা জায়গা তৈরি হয় ওনলাইন প্লাটফর্ম এ। আমার আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভালো সেল হওয়া শুরু হয় সবাই পন্য দেখে পছন্দ করে। আমি কাজ করছি ডিজাইনার বেবি ড্রেস, ড্রাউন, লেহেঙ্গা, জামাদানী শাড়ী, টাঙ্গালি শাড়ি, ইত্যাদি নিয়ে। তার মধ্যে আমার আইকনিক পন্য হচ্ছে বাচ্চাদের ডিজাইনার পার্টি ড্রেস। যে গুলে বাহিরের দেশ থেকে আমদানি করে অনেকে কিনার সামর্থ্য থাকে না। আমরা সেই সেইম কোয়ালিটির পন্য নিজেরাই তৈরি করে দিচ্ছি তাও সাধ্যের মধ্যে। এখন মাএ ২ বছরে আলহামদুলিল্লাহ্‌ , কারখানা, দোকান, একাউন্ট, ট্রেডলাইসেন্স সব কিছু ই হয়েছে। আরো অনেক কিছু করা বাকি। ইনশাআল্লাহ্‌ সব হবে।
আমি বিশ্বাসি,
“পরিশ্রম কে পুঁজি আর সততা কে লক্ষ্য বানালে সফলতা আপনারই “✌️
Bangladesh Youth Enterprise Advice Helpcenter (B’Yeah)
আমাকে করোনা কালিন সময় গড়ে তুলেছে উদ্যোক্তা হিসেবে। আমি গর্বিত আমি এখন নিজের পাশাপাশি অন্যকেও ভালো রাখার স্বপ্ন দেখতে পারি সাহস করে এগিয়ে যেতে পারি কেননা আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ প্রদর্শক হিসেবে সবসময়(B’Yeah) আমাদের পাশে আছে।
B’Yeah আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক রকমের ট্রেনিং এর আয়োজন করেছেন । যার মাধ্যমে আমরা অফ্লাইন এর পাশাপাশি অনলাইনে খুব সহজেই আমার উদ্যোগকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে পারি তার কৌশল হাতে-কলমে শিখিয়ে দেয়া হয়েছে। যা আমার উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরও সাহস যুগিয়েছে।

Leave a comment