Skip to content Skip to footer

সাবিহা ইসলাম বিথী

সাবিহার পাটের তৈরি কার্ডে রাণী এলিজাবেথকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা পত্র


সাবিহা ইসলাম বিথী (**) একজন আত্মবিশ্বাসী তরুণ উদ্যোক্তা। কলেজ জীবন থেকে তিনি ব্যবসা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি সরকার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ঔঁঃব উরাবৎংরভরপধঃরড়হ চৎড়সড়ঃরড়হ ঈবহঃবৎ (ঔউচঈ/জেডিপিসি) থেকে পাটজাত হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে শুরু করেন ‘পূর্ণতা ক্রাফটস্’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। আর থেমে থাকেননি, চলেছেন রখ্ষ্য পূরণের পথে।
তার প্রতিষ্ঠান পাট দিয়ে মিটিং ফাইল, কার্ড হোল্ডার, বিভিন্ন ধরনের ফোল্ডার, কলম দানী, ব্যাগ, পাটের জিনিসপত্র ইত্যাদি। সাবিহা জানায়, পাটের পণ্যের চাহিদা শুধু দেশে নয় দেশের বাইরেও ব্যাপক। তিনি আরও বলেন, এখনও কিছু লোক পাটের জিনিসকে গুরুত্ব না দিলেও বেশিরভাগ মানুষ পাটজাত পণ্যকে পরিবেশ বান্ধব বলে গুরুত্ব দেয়। বাইরের দেশে পাটের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সাবিহা আরও জানায়, তার পাটজাত পণ্য বিদেশে রফতানি হয়। একবার একজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী যুক্তরাজ্যের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ-এর জন্য পাট দিয়ে জন্মদিনের একটি কার্ড তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তখন আমি আমার সবটুকু দিয়ে সেই কার্ডটি তৈরি করি। সেই ব্যবসায়ীর তরফ থেকে আমার কার্ডটি পাওয়ার পর রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ সুন্দর এই জন্মদিনের কার্ডের জন্য একটি ধন্যবাদ চিঠি পাঠায়।
সাবিহা মনে করেন, একজন বাংলাদেশী হয়ে এখানকার উৎপাদিত কাঁচামাল দিয়ে পাটজাত পণ্য উৎপাদন করছেন, এতে তিনি আনন্দিত এবং গর্বিত। তিনি ফেসবুক পেইজের মাধ্যমেও তার পণ্য বিক্রি করেন। এখানে তিনি ভালো সাড়াও পাচ্ছেন। এই ব্যবসা যখন শুরু করি তখন তিনি একাই কাজ করতাম এখন তার আরো তিনজন কর্মচারী আছে। দুই লক্ষ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করে এখন সাবিহার ব্যবসায়িক মূল ধন দাঁড়িয়েছে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা, তার নামে এখন ট্রেড লাইসেন্সও আছে। সাহিবার কিছু অভিযোগও রয়েছে। তিনি বলেন, পাট আমাদের স্থানীয় সম্পদ, বিদেশীরা পাটজাত পণ্যের অনেক মূল্য দেয় অথচ আমাদের দেশের লোকেরা পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করে না। পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করলে বাংলাদেশে পাটজাত পণ্যের চাহিদা আরো বেশি হত। তিনি আরো বলেন, দিন দিন পাটের চাহিদা বাড়ছে এবং ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। ফলে এই ক্ষেত্রে আরো নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং তারাও ভালো করবে।
সাবিহা বাংলাদেশ ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ অ্যাডভাইস অ্যান্ড হেল্পসেন্টার (বি’ইয়া)-এর প্রতি কৃতজ্ঞ কারণ বি’ইয়া-র প্রশিক্ষণেই তিনি জানতে পেরেছেন ব্যবসা সংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। সাবিহা ইসলাম বিথী চান একদিন তার প্রতিষ্ঠানটি হবে দেশের সেরা পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারত এবং রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান।

Leave a comment