Skip to content Skip to footer

সালমান ইসলাম রনি

সালমান ইসলাম রনি

বাবা-মা, ১ বড় ভাই ও ১ ছোট বোন নিয়ে ৫ সদস্যের ছোট পরিবার আমাদের। বাবা দেশের বাহিরে ছিলেন বহু বছর, বড় ভাই এখন দেশের বাহিরে চাকরি করছেন। ছোট বোন এর বিয়ে হয়েছে। ফিজিক্স এর উপর কবি নজরুল সরকারী কলেজ থেকে অর্নাস করেছি।
ছোটবেলা থেকেই চাকরি করার প্রতি অনিহা ছিল। ইচ্ছে ছিল নিজে কিছু করার, এই আগ্রাহ থেকেই কলেজে পড়া অবস্থায় ২০১৫ সালে কোচিং সেন্টার খুলেছিলাম। ২০১৬ সালে পার্টনারে কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার চালু করি। মাথায় ছিলো পড়াশোনা চলাকালীন সময়েই ব্যাবসা রেডি করে রাখা, যাতে বাসা থেকে চাকরির জন্য প্রেশার না দিতে পারে। ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে ক্লাউড-১১ রেষ্টুরেন্ট যাত্রা শুরু করে।
কেরানীগঞ্জ এর রুফটপ রেষ্টুরেন্ট ’’ক্লাউড-১১’’ প্রথম। করোনা কলীন সময়ে রেষ্টুরেন্ট শুরু করি। এলাকাতে বেশ পরিচিতি লাভ করেছে, ক্রেতারাও রেষ্টুরেন্টে এসে আনন্দ উপভোগ করে। দেশে করোনার ২য় লক লাকডাউন এর পর বেশ সারা মিলছে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন পণ্য সংযোজন করেছে এবং কাষ্টমাইজ পন্য সরবরাহ করে থাকি।
করোনা কালীন লক ডাউন বৃদ্ধি পাওয়ায় সাথে সাথে আমার সমস্যগুলোও বারতেছিল। মানষিক প্রেশার আসতে থাকে, দোকান ভাড়া, কর্মীদের বেতন কিভাবে দিব। ব্যবসা কিভাবে চালিয়ে নিব। শুরু করতেই ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। আমি হার মানতে রাজি নই।
ব্যবসার বয়স যখন ৪ দিন মাত্র তখন বি’ইয়া’র সাথে যুক্ত হই। বি’ইয়া’র Ecommerce & Digital marketing skills এবং Decent work training এ অংশগ্রহন করি। Ecommerce & Digital marketing skills training এর স্কিল কাজে লাগিয়ে অনলাইনে পেইজ ওপেন করে সেল শুরু করি। Decent work training থেকে শিখতে পেরেছি এবং ব্যবসায় ব্যবহার করেছি, নতুন ও পুরাতন কর্মীদের নিয়োগপত্র দিয়েছি। রোষ্টার এর ভিত্তিতে কর্মীদের সাপ্তাহিক ছুটি দিয়ে থাকি। এই ট্রেনিং এর পর রেষ্টুরেন্ট এ সংযোজন করেছি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও কর্মীদের জন্য ফাষ্ট এইড বক্স। বি’ইয়ার এই সহযোগীতা গুলি আমাকে অনেক ব্যাকআপ দিয়েছে। এই সহযোগীতা গুলি আমাকে হতাশা থেকে দুরে ঠেলে মনোবল বৃদ্ধি করেছে না হলে হয়তো রেষ্টুরেন্ট বন্ধ করে দিতে হত।
বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় ক্লাউড-১১ এর ব্রাঞ্চ ওপেন করা এবং ব্যন্ড হিসাবে পরিচিতি করানো। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দুরীকরনে ভুমিকা রাখতে চাই। নিজেকে একজন সফল উদ্দোক্তা হিসেবে দেখতে চাই।

Leave a comment