Skip to content Skip to footer

নুপূর

হার না মানা নূপুর


প্রত্যেক মানুষই সৌন্দর্য পিপাসু, নিজেকে অন্যভাবে উপস্থাপন করতে চায় সবাই, পৃথিবীর সব স্থানে অনেক আগে থেকেই নারীরা তার সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের নারীরা। কিন্ত নিজেকে পরিপাটি করে সাজিয়ে তুলতে অন্যের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এই সাজসজ্জা হচ্ছে প্রত্যেক নারীর মনের প্রশান্তি। এই মনের মতো সাজকে ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন হয় একজন সাজনীর।
নূপুর ছোট বেলা থেকেই বোনদের সাজনীর বাক্স নিয়ে সাজতে ভাল বাসতো। নূপুর স্বাধীন ভাবে কিছু একটা করার স্বপ্ন দেখতো। সাজগোজের প্রতি যেহেতু তার প্রবল একটা জোঁক ছিল, তিনি বিউটি পার্লারের ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবতে ছিলেন। কিন্ত শুরু করবেন কি ভাবে?
১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় পরের বছর হন সন্তানের মা।শ^শুরবাড়ীতে কোন বাঁধা নেই। এগিয়ে যাওয়ার প্রেরনা।স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়ার শুরুতে প্রশিক্ষন নিয়ে নিলেন বিউটিফিকেশনের।পরিবার সমর্থন করলেও বাঁধা হলো সমাজ।
শুরুতে বিউটিপার্লারের জন্য কোন মালিক বাড়ি ভাড়া দিতে চায়নি। পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী শারমিন সুলতানা নূপুর দমে যাননি, তিনি তার লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিয়েছেন। সামাজিক বাধাঁকে উপেক্ষা করে পরিবারের সমর্থন নিয়ে গড়ে তোলেন “তানু’স বিউটি পার্লার’’।
মাত্র দুই লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে বিউটি পার্লার প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে পাঁচজন প্রশিক্ষিত কর্মী রয়েছে। নারীর রুপ চর্চার পাশাপাশি তিনি রুপ চর্চার বিভিন্ন হেলথ্ টিপস্ দিয়ে থাকেন। এখানে নারীর নিখুত ভাবে চুল কাঁটা, ম্যাসেজ, বৌ/ কনে সাজানো এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাজ করে থাকেন। এই পার্লারের বিশেস্বত্ব হলো গ্রাহকের সন্তষ্টি অর্জন।
সফল ব্যবসাযী হতে হলে অবশ্যই পরামর্শক প্রয়োজন। বাংলাদেশ যুব এন্টারপ্রাইজ অ্যাডভাইস এন্ড হেল্পসেন্টার আমার একমাত্র পরামর্শক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। আমি ধন্যবাদ জানাই বি’ইয়াকে। আমার পথ চলার পথকে আরো প্রশস্থ করার জন্য।
আমার এই পার্লারটি সেরাদের তালিকায় স্থান করে নিবে ও অসহায় নারীদের কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখবে, এই প্রত্যাশায় কাজ করছি।

Leave a comment